নিউজ ডেস্ক: ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর পরিবহণ কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে নিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে অনেক সময় চালক ও খালাসিরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। এবার তাঁদের ভোটদান সুনিশ্চিত করতে ‘পোস্টাল ব্যালট’-এর ব্যবস্থা করল কমিশন। সোমবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
আবেদনের পদ্ধতি ও ১২ নম্বর ফর্ম:
কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটের কাজে ব্যবহৃত সমস্ত যানবাহনের মালিক এবং তাঁদের সংগঠনগুলিকে নিকটস্থ ‘পাবলিক ভেহিকলস ডিপার্টমেন্ট’ (PVD) অফিস থেকে ১২ নম্বর ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট মালিক বা সমিতির পক্ষ থেকেই সেই ফর্ম সব চালক ও খালাসিদের মধ্যে বিতরণের দায়িত্ব নিতে হবে। প্রত্যেক আবেদনকারীকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
আবেদনপত্রের সঙ্গে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
-
ভোটার পরিচয়পত্র বা এপিক কার্ডের (EPIC) ফোটোকপি।
-
গাড়ির মালিকের পক্ষ থেকে একটি লিখিত ঘোষণাপত্র।
-
গাড়িটি যে নির্বাচনের কাজে নেওয়া হয়েছে, সেই রিকুইজিশন অর্ডারের ফোটোকপি।
পরিবহণ দপ্তর ও কমিশন সূত্রে খবর, মালিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল যে, ভোটের দিন যাতায়াতের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে কয়েক লক্ষ পরিবহণ কর্মী তাঁদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। সেই দাবি খতিয়ে দেখেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ। এর ফলে এবার বাস, ট্যাক্সি ও ছোট গাড়ির চালক এবং খালাসিরা নিজেদের কেন্দ্রেই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন।