নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিনের টানা দুর্যোগের পর দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির দাপট সাময়িকভাবে কমলেও, স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার জো নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শক্তিশালী বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরির সম্ভাবনা কম থাকলেও, বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত বজায় থাকবে। তবে চলতি সপ্তাহের শেষে, অর্থাৎ ২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্রবার ও শনিবার) কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ফের কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে পূর্ব বাংলাদেশের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যেখান থেকে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢোকার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম জেলায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তাহের শেষদিকে এই ঝড়বৃষ্টির মাত্রা আরও বাড়তে পারে, যার জন্য ইতিমধ্যেই ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করেছেন আবহাওয়াবিদরা। ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কমার কোনও লক্ষণ নেই। আগামী কয়েকদিন পাহাড় লাগোয়া জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার-সহ সবকটি জেলাতেই দফায় দফায় ঝড়বৃষ্টি চলবে। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ৩০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের দিঘায় সবথেকে বেশি ২১ মিমি এবং কলকাতায় মাত্র ৩.৪ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। রবিবারের আকাশ পরিষ্কার থাকলেও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে ফের আবহাওয়ার ভোলবদল ঘটতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।