নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতায় সাতসকালে ফের চুরির চাঞ্চল্য। বাঁশদ্রোণী এলাকায় একটি বন্ধ বাড়ির গ্রিল কেটে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার সোনা ও রুপোর গয়না এবং নগদ টাকা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। তবে শেষ রক্ষা হল না। সিসিটিভি ফুটেজ এবং তদন্তের জালে শেষমেশ ধরা পড়ল মূল অভিযুক্ত-সহ এক গয়না ব্যবসায়ীও। ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আলিপুর আদালত।
পুলিশ সূত্রে খবর, চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল দিন দশেক আগে। বাড়ির বাসিন্দারা অনুপস্থিত থাকার সুযোগে রাতের অন্ধকারে পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। এরপর পিছনের জানলার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে সর্বস্ব লুঠ করে পালায় তারা। সকালে বাড়ির লোকজন ফিরে এসে দেখেন তছনছ হয়ে পড়ে রয়েছে ঘরদোর, গায়েব হয়ে গিয়েছে লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার ও নগদ টাকা। তড়িঘড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
তদন্তে নেমে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ গোপাল নায়েক নামে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে, যার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক চুরির অভিযোগ ছিল। শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করার পর জেরায় সে স্বীকার করে যে, চুরি করা গয়নাগুলি সে স্থানীয় এক সোনার দোকানে বিক্রি করেছে। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় সোনার দোকানের মালিক সমীর গুপ্তকে।
শনিবার ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিবাদী পক্ষের আইনজীবী সৈকত রক্ষিত তাঁদের মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। পাল্টা সওয়ালে সরকারি আইনজীবী বিকাশ দাস জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও ধৃতের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি। দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে আদালত অভিযুক্তদের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। খোয়া যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।