নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আবহে নদিয়ার হরিণঘাটায় রাজনৈতিক তরজা এবার পৌঁছে গেল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করা এক কিশোরীর দোরগোড়ায়। “বাবা বিজেপি করেন, তবে মেয়ে কেন যুবসাথীর  টাকা পাবে?”— এই প্রশ্ন তুলে এক কিশোরীকে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল হরিণঘাটা পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার হারাধন ঘোষের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় ওই কিশোরীর বাবাকে রাস্তার ওপর মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করারও অভিযোগ উঠেছে।

আক্রান্ত সন্তু রাউত হরিণঘাটার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী। তাঁর অভিযোগ, গত ১৯ মার্চ তাঁর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যুবসাথী প্রকল্পের ১৫০০ টাকা ঢোকে। এর পরেই রবিবার তাঁর মেয়েকে ফোন করে পুরসভায় ডেকে পাঠানো হয় এবং রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে সন্তু বাবু প্রতিবাদ করলে, টিউশন থেকে মেয়েকে নিয়ে ফেরার পথে কাউন্সিলার হারাধন ঘোষ ও তাঁর অনুগামীরা তাঁকে মাঝরাস্তায় আটকে মারধর করেন বলে দাবি।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ভয়েস বাংলা নিউজ), যেখানে কাউন্সিলারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা যাচ্ছে। ভিডিওতে সন্তু বাবুকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, “আপনি আমার মেয়েকে ফোন করে হুমকি দেবেন কেন?” যার উত্তরে কাউন্সিলারকে বলতে শোনা যায়, “১০০ বার করব।” এই ঘটনায় হরিণঘাটা থানা এবং নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সন্তু রাউত। যদিও কাউন্সিলার হারাধন ঘোষ এখনই মুখ খুলতে নারাজ, তিনি জানিয়েছেন “সময়মতো সব প্রমাণ সহ উত্তর দেবেন।” তৃণমূলের রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই, খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

Share on Social Media