নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: চলন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠার ঝুঁকি যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার নির্মম প্রমাণ মিলল জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশনে। স্বামীর সামনেই ট্রেনের তলায় পড়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তাঁর স্বামী। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃতার নাম অঞ্জনা ধর (৪৫)। তিনি জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন অরবিন্দ নগরের বাসিন্দা।
জানা গিয়েছে, এ দিন অঞ্জনা দেবী, তাঁর স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কলকাতাগামী একটি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসে ওঠার কথা ছিল। সেখান থেকে তাঁদের তারাপীঠ যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু স্টেশনে পৌঁছনোর সময় ট্রেনটি ইতিমধ্যেই প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে ধীরে ধীরে গতি বাড়াচ্ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সেই অবস্থাতেই চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন দম্পতি। স্বামী কোনওমতে ট্রেনে উঠতে সক্ষম হন। কিন্তু পা পিছলে লাইনে পড়ে যান অঞ্জনা দেবী। মুহূর্তের মধ্যেই ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হন তিনি।
ঘটনার পর যাত্রীরা জরুরি চেন টেনে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন। রেলকর্মীরা ছুটে এসে মহিলাকে উদ্ধার করেন। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার জেরে ট্রেনটি বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে।
রেলের এক কর্মী বলেন, “চলন্ত ট্রেনে না ওঠার জন্য আমরা বারবার আবেদন করি। সচেতনতা প্রচারও চালানো হয়। তবু বহু যাত্রী ঝুঁকি নেন, যার ফল কখনও কখনও এতটাই ভয়াবহ হয়।”
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আবারও সামনে এল অসাবধানতার মারাত্মক পরিণতি।
কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন উদ্বোধন, ৬২ বছরের প্রত্যাশা পূরণ, উচ্ছ্বাসে মাতল জলপাইগুড়ি
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের দাবিতে জলপাইগুড়িতে প্রথম আন্দোলন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে। তারপর তিস্তা-করলা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। কখনও দিনের পর দিন আন্দোলনে তপ্ত হয়েছে শহর।…