নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের রণাঙ্গন থেকে আসা এক বিস্ফোরক দাবিতে স্তম্ভিত বিশ্ব রাজনীতি। শনিবার খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানজুড়ে চালানো মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ বিমান হানায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনি। যদিও তেহরানের পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি, তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
শনিবার এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, এই সামরিক অভিযানে কেবল ব্যক্তি খামেইনি নন, বরং ইরানের সামগ্রিক সামরিক কাঠামোর ওপর চরম আঘাত হানা হয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের বিতর্কিত ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং দেশটির নৌবাহিনীকে কার্যত পঙ্গু করে দেওয়া। ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এবং ইরানের পক্ষ থেকে সবরকম সামরিক হুমকি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই বিমান হামলা অব্যাহত থাকবে।
হোয়াইট হাউসের এই অবস্থানের পর মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ছায়া আরও ঘনীভূত হল বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। ইজরায়েলি বায়ুসেনার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মার্কিন সেনার এই সক্রিয়তা এবং খামেইনির মৃত্যু নিয়ে ট্রাম্পের দাবি যদি সত্যি হয়, তবে তা সমগ্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সমীকরণ আমূল বদলে দিতে পারে। তেহরান থেকে এই দাবির পাল্টা কী প্রতিক্রিয়া আসে, এখন সেদিকেই নজর রাখছে সারা বিশ্ব।