নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান শহরের একটি নার্সিংহোমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফের একবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরে নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য নার্সিংহোম, যেখানে ন্যূনতম অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বা সুরক্ষা বিধি মানা হচ্ছে না। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এই ছিনিমিনি চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা।
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের এক অধিকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, যেকোনো বেসরকারি হাসপাতালে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য পৃথক পথ এবং প্রশস্ত সিঁড়ি থাকা বাধ্যতামূলক। প্রাথমিক রিপোর্টে দেখা গেছে, আক্রান্ত নার্সিংহোমটিতে এই সব নিয়মের তোয়াক্কাই করা হয়নি। ওই আধিকারিকের প্রশ্ন, “কী ভাবে এই সব নার্সিংহোম লাইসেন্স পায় সেটাই আশ্চর্যের।” ঘটনার তদন্তে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের (সিএমওএইচ) কাছে রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য দপ্তর।
দমকলকর্মী কাজল পালের মতে, “দিনের বেলা দুর্ঘটনাটি ঘটায় বড় বিপদ এড়ানো গেছে, রাতে হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত।” যদিও দায় এড়াতে চেয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম জানান, অভিযোগ না পেলে তাঁদের পক্ষে সব খতিয়ে দেখা সম্ভব নয়। বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেপুটি সিএমওএইচ জগন্নাথ মণ্ডল এবং ধীরাজ রায়কে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।