নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফলাফল প্রকাশের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই নকশালবাড়ি ও খড়িবাড়ি এলাকায় জমির সরকারি নথিপত্র উদ্ধার ঘিরে দানা বাঁধল রহস্য। মঙ্গলবার সকালে খড়িবাড়ির বাতাসী এলাকায় দুর্গামন্দির সংলগ্ন ৩২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে শতাধিক জমির দলিল ও খতিয়ানের কপি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে খড়িবাড়ি ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থাকায় বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শুভঙ্কর দাসের দাবি, রাস্তায় যাওয়ার সময় তিনি ও আরও কয়েকজন মিলে নথিপত্রগুলি দেখতে পান। গুরুত্ব বুঝে কাছে গিয়ে দেখা যায়, সেগুলি নকশালবাড়ি ও খড়িবাড়ি ব্লকের বিভিন্ন এলাকার জমির দলিল ও সরকারি নথির ফটোকপি। বাসিন্দাদের একাংশের অনুমান, জমি কেনাবেচায় জালিয়াতির কারবার চলত এই নথিগুলো দিয়ে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের আবহে প্রমাণ লোপাট করতেই কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে এগুলি রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে গিয়েছে।

খবর পেয়ে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত নথিপত্র উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া দলিলের সংখ্যা শতাধিক। এলাকার বাসিন্দা সুদেব বসুর মতে, এই নথিগুলি জাল দলিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। প্রশাসনের নজর এড়াতে বা পরবর্তী আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতেই কি এই পদক্ষেপ? প্রশ্ন উঠছে তা নিয়ে।

পুরো ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ। তবে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে খড়িবাড়ি ব্লক ভূমি দপ্তরের আধিকারিককে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। খড়িবাড়ি থানার এক অফিসার জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া কাগজগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পেছনে কোনো বড়সড় ভূমি কেলেঙ্কারি জড়িয়ে আছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

Share on Social Media