জানুয়ারি ২২, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ:
নির্বাচনের মুখে মালদহে অস্ত্রের স্রোত, মুঙ্গের থেকে আসছে সেমি অটোমেটিক পিস্তল, পুলিশের চোখ এড়াতে বারবার রুট বদল, জলপথও ব্যবহার দুষ্কৃতীদের ।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আবহে মালদহে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, বিহারের মুঙ্গের থেকেই চোরাপথে মালদহে ঢুকছে সেভেন এমএম সেমি অটোমেটিক পিস্তল। অন্যদিকে, দেশি পাইপগান তৈরি হচ্ছে স্থানীয়ভাবেই। পুলিশের নজর এড়াতে অস্ত্র কারবারিরা বারবার যাতায়াতের রুট বদলাচ্ছে, প্রয়োজনে সড়কের পাশাপাশি জলপথও ব্যবহার করছে।
মঙ্গলবার মালদহ পুলিশের অভিযানে ১০টি দেশি পাইপগান ও পাঁচটি সেভেন এমএম সেমি অটোমেটিক পিস্তল উদ্ধার হয়। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই অস্ত্র কারবারিকেও। এই উদ্ধার ঘিরেই জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক তরজা—শাসক ও বিরোধী দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন একটাই—এত অস্ত্র আসছে কোথা থেকে?
মালদহের পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “সেভেন এমএম পিস্তল মূলত বিহারের মুঙ্গের থেকেই আসছে।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াচক ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি অস্ত্র কারবারের বেশ কিছু ডিলার সক্রিয়। মোটা টাকার বিনিময়ে তারা ক্যারিয়ার নিয়োগ করে। অগ্রিম টাকা পাওয়ার পরই মুঙ্গের থেকে অস্ত্র পাঠানো হয় মালদহে।
পুলিশের লাগাতার অভিযানের জেরে সড়কপথে অস্ত্র পাচার করতে গিয়ে একের পর একবার ধরা পড়ছে কারবারিরা। সেই কারণেই তারা পথ পরিবর্তন করে কখনও গোপন গ্রাম্য রাস্তা, কখনও নদীপথ ব্যবহার করছে। তবে পুলিশি তৎপরতায় সেই চেষ্টাও সফল হচ্ছে না বলেই দাবি তদন্তকারীদের।
অস্ত্রের বাজারদরও উঠে এসেছে তদন্তে। একটি ওয়ান শটারের দাম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা। সেভেন এমএম সেমি অটোমেটিক পিস্তল বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়, আর নাইন এমএম পিস্তলের দাম ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া দুই অভিযুক্তের মধ্যে একজন লালগোলার বাসিন্দা মইনুল হাসান, যিনি অস্ত্র ডেলিভারির উদ্দেশ্যেই মালদহে এসেছিলেন। অন্যদিকে, কালিয়াচকের বাসিন্দা আনারুল হক তার দোকানে চারটি সেভেন এমএম পিস্তল মজুত করে রেখেছিল ডেলিভারির জন্য। তবে এই অস্ত্র কাদের কাছে, কী উদ্দেশ্যে সরবরাহ করা হচ্ছিল—তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
নেশায় বুঁদ আকাশ, মালদহের পুর-ইঞ্জিনিয়ারের সংগ্রহে ১৯৫ দেশের ডাকটিকিট, গ্যালারিতে বিরল ইতিহাস
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ: পেশায় তিনি কলম আর নকশার মানুষ, মালদহ ইংলিশবাজার পুরসভার বৈদ্যুতিক বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু অফিসের ফাইল আর বিদ্যুতের হিসেব নিকেশের বাইরে আকাশ চক্রবর্তীর এক অন্য জগত রয়েছে। গত…