২২ জানুয়ারি ২০২৬, নয়াদিল্লি: পরীক্ষা শুরু হতে না হতেই ফের বিতর্ক। ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্স (JEE) মেনস। আর তার দু’দিনের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চাঞ্চল্যকর দাবি। যা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি হয় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। তবে পরিস্থিতি ঘোরালো হওয়ার আগেই আসরে নামল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হলো, প্রশ্ন ফাঁসের খবরটি সর্বৈব মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
‘গুজবে কান দেবেন না’, বার্তা এনটিএ-র এনটিএ-র তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সমাজমাধ্যমে কিছু অসাধু চক্র ভুয়া খবর ছড়িয়ে পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এর আগেও প্রশ্ন ফাঁসের নাম করে আর্থিক প্রতারণার ফাঁদ পাতা হয়েছিল। তাই এবারও পড়ুয়াদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আয়োজক সংস্থা। তাদের স্পষ্ট বার্তা, ‘‘প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। অযথা গুজবে কান দিয়ে বা প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে ক্ষতি করবেন না।’’
পরীক্ষাকেন্দ্রে কড়া নিয়ম, বায়োমেট্রিক নিয়ে সতর্কতা বিতর্ক এড়ানোর পাশাপাশি সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকাও জারি করেছে এনটিএ। পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল জরুরি চেক-লিস্ট:
- বায়োমেট্রিক আনলক: আধার কার্ডের বায়োমেট্রিক যেন কোনোভাবেই ‘লক’ করা না থাকে। অ্যাডমিট কার্ড ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে বায়োমেট্রিক যাচাই না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
- রিপোর্টিং টাইম: পরীক্ষাকেন্দ্রে নির্দিষ্ট সময়ের (Reporting Time) অন্তত এক ঘণ্টা আগে পৌঁছতে হবে।
- প্রয়োজনীয় নথি: সঙ্গে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড, সচিত্র পরিচয়পত্র (যেমন আধার কার্ড) এবং ফর্মে ব্যবহৃত দুটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
- অ্যাটেন্ডেন্স শিট: উপস্থিতির খাতায় নিজের সই, বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের ছাপ এবং ছবি যেন পরিষ্কার থাকে।
পরীক্ষার খুঁটিনাটি প্রতিদিন কম্পিউটার বেসড টেস্ট (CBT) পদ্ধতিতে পরীক্ষা চলবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। শুধুমাত্র যেদিন ‘ড্রয়িং টেস্ট’ থাকবে, সেদিনই জ্যামিতি বাক্স সঙ্গে রাখার অনুমতি মিলবে। দেশের প্রথম সারির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে ভর্তির এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় যাতে কোনো স্বচ্ছতার অভাব না ঘটে, তার জন্য এবার বাড়তি সতর্ক এনটিএ।