নিউজ ডেস্ক: ভোট শুরুর আগেই নিজের ভোট ‘দান’ সেরে ফেলেছেন অন্য কেউ! রায়গঞ্জের স্মৃতি উসকে এবার বালুরঘাটে পোস্টাল ব্যালটে ভোটাধিকার হরণের গুরুতর অভিযোগ উঠল। এক সরকারি কর্মীর ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেওয়ায় মঙ্গলবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক মহলে। নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে এবার জেলা নির্বাচন আধিকারিক তথা জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই কর্মী।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারীর নাম বিমল সরেন। তিনি বালুরঘাটের আরএলআই (RLI) অফিসের কর্মী এবং আসন্ন নির্বাচনে গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁর ডিউটি পড়েছে। বিমলবাবুর দাবি, গত ১৬ এপ্রিল বালুরঘাট গার্লস হাইস্কুলে প্রশিক্ষণের দিন ভিড়ের কারণে তিনি ভোট দিতে পারেননি। সেদিন ঘোষণা করা হয়েছিল যে, বাকিদের ভোট ২০ এপ্রিল নেওয়া হবে। সেই মতো সোমবার নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছলে প্রিসাইডিং অফিসার তাঁকে জানান, তাঁর ভোট নাকি ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়ে গিয়েছে।
বিস্মিত বিমলবাবুর প্রশ্ন, “আমি ভোট দিলাম না, আঙুলেও কালির ছাপ নেই, তবে আমার ভোট কে দিল?” এই ঘটনায় প্রশাসনের চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তাঁর সহকর্মীরাও। সহকর্মী গণেশ ঠাকুরের কথায়, “একজনের ভোট আর একজন কীভাবে দেয়? এর প্রকৃত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।” যদিও জেলাশাসক বালা সুব্রহ্মণ্যম টি জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগে সরকারি কর্মীর ভোট ‘চুরি’র এই অভিযোগ জেলা প্রশাসনের অস্বস্তি বাড়িয়েছে।