নিউজ ডেস্ক: পিলখানায় প্রোমোটার শফিক খান খুনের তদন্তে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। খাস কলকাতার বউবাজার এলাকার একটি বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হলো দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি ম্যাগাজিন। ধৃত মহম্মদ ওয়াকিলকে জেরা করেই হরিণবাড়ি লেনের ওই ডেরার হদিশ পান তদন্তকারীরা। পুলিশের দাবি, খুনের পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই ছাদের ট্যাঙ্কে অস্ত্রগুলি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
তদন্তে নেমে মেটিয়াবুরুজ এলাকা থেকে আসলাম নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রাফাকাত ওরফে রোহিতকে আশ্রয় দিয়েছিল এই আসলাম। পুলিশ জানতে পেরেছে, আসলাম সম্পর্কে হারুনের প্রথম পক্ষের শ্যালক। খুনের পর বিচালিঘাট এলাকায় গা ঢাকা দেওয়ার জন্য আসলামই ঘরের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। যদিও সেখানে মাত্র কয়েক ঘণ্টা কাটিয়েই ডেরা বদল করে অভিযুক্তরা। সরকারি কৌঁসুলি তারাগতি ঘটক জানিয়েছেন, পলাতকদের নাগাল পেতে আসলামকে জেরা করা অত্যন্ত জরুরি।
শনিবার তদন্তের ভার হাতে নিয়ে পিলখানায় নিহতের বাড়িতে যান সিআইডি-র গোয়েন্দারা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চার অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, এই ঘটনার শিকড় কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখতে জোড়াসাঁকো এলাকার এক প্রভাবশালী দুষ্কৃতীকেও রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। লালবাজারের খাতায় নাম থাকা ওই দুষ্কৃতী অস্ত্র কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে অনুমান পুলিশের। তদন্তকারীদের ধারণা, ভিন রাজ্যে পালানোর ছক কষছে মূল অভিযুক্তরা, আর এই কাজে তাদের সাহায্য করছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী যোগসূত্র।