নিউজ ডেস্ক: সাতসকালে ভাঙড়ে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। সোমবার ভাঙড়ের কাশীপুর থানার চণ্ডীহাটের মাঝেরপাড়া এলাকায় রাস্তার ধার থেকে কওসার খান (৪১) নামে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মুখ ইঁট দিয়ে থেঁতলে অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনায় নিহতের এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়র দিকেই সন্দেহের আঙুল তুলছেন তদন্তকারীরা।
ঘটনার বিবরণ ও পুলিশের অনুমান: স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে নিজের বাড়ির অদূরেই কওসার খানের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের মুখ ও মাথা ভারী বস্তু বা ইঁট দিয়ে আঘাত করে কার্যত বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, কওসার মদ্যপ অবস্থায় প্রায়ই বাড়িতে অশান্তি করতেন। সেই পারিবারিক বিবাদের জেরে অতিষ্ঠ হয়েই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান।
পলাতক সন্দেহভাজন: ঘটনার পর থেকেই কওসারের ওই ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর এই রহস্যজনক অন্তর্ধান পুলিশের সন্দেহকে আরও দৃঢ় করেছে। পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ জোগাড়ের কাজ শুরু করেছে এবং তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পারিবারিক অশান্তি নাকি এর পিছনে অন্য কোনও পুরনো শত্রুতা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ।
অন্যদিকে, এদিনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘুটিয়ারি শরিফ ফাঁড়ির হালদারপাড়া এলাকা থেকেও আরও এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। একই দিনে জেলায় দুটি দেহ উদ্ধারের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।