নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়। মাত্র ৯ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার এক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম মহম্মদ জাহিরুল ইসলাম, বাড়ি বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া থানার কানকাটা এলাকায়। শনিবার ধৃতকে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে পুলিশ তাকে চার দিনের হেফাজতে নিয়েছে।
বিএসএফ সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেলে চোপড়া ব্লকের হাপতিয়াগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের জিরোপানি সীমান্তে সন্দেহভাজন অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় জাহিরুলকে। তল্লাশিতে কোনও বৈধ নথিপত্র না মেলায় তাকে আটক করা হয়। পরে চোপড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে জাহিরুল স্বীকার করেছে যে, গত ১২ মার্চ মোবাইল চুরির অভিযোগে ধৃত বাংলাদেশি সামিমের সঙ্গে তার পরিচয় রয়েছে। তারা দুজনেই একই এলাকার বাসিন্দা এবং নদীপথ পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছিল।
ভোটের মুখে এই ধারাবাহিক অনুপ্রবেশের ঘটনায় শুরু হয়েছে প্রবল রাজনৈতিক চাপানউতোর। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ফজলুল হক সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা করে প্রশ্ন তুলেছেন, “সীমান্তে বিএসএফ কী করছে? কেন অনুপ্রবেশকারীদের আটকানো যাচ্ছে না?” পাল্টা সুর চড়িয়েছে বিজেপিও। গেরুয়া শিবিরের দাবি, নির্বাচনের আগে পরিকল্পিতভাবে দুষ্কৃতীদের ওপারে থেকে এপারে ঢোকানো হচ্ছে কি না এবং স্থানীয় স্তরে কেউ তাদের মদত দিচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একের পর এক অনুপ্রবেশের ঘটনায় সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিতে বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।