নিউজ ডেস্ক: ভোট গণনার কাজে চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী কর্মীদের যুক্ত করা হচ্ছে— এই মর্মে গুরুতর অভিযোগ তুললেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা এবং দাসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, পিংলা বিধানসভায় জীবিকা সেবক ও সহায়কদের মতো অস্থায়ী কর্মীদের গণনাকর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁর দাবির স্বপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম এবং রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষর থাকা একটি নির্দেশিকার ছবিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি। গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শুভেন্দু।
যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ মেলেনি বলে জানিয়েছেন পিংলার রিটার্নিং অফিসার মহম্মদ জসিমউদ্দিন মণ্ডল। তবে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী নির্দেশিকা পেয়েছি, যেখানে বলা হয়েছে কোনও অস্থায়ী কর্মী রাখা যাবে না। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই গণনা কেন্দ্রে কোনও অস্থায়ী কর্মীকে রাখছি না।”
অন্যদিকে, এই বিতর্ক থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে শাসক দল। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, “কাকে গণনার কাজে লাগানো হবে সেটা সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়। এই নিয়ে আমাদের কোনও বক্তব্য নেই।” উল্লেখ্য, সোমবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। তার ঠিক আগের দিন শুভেন্দুর এই অভিযোগ গণনা প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা ও নিয়মাবলী নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল।