নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আচমকাই ‘শুকিয়ে’ গেল উত্তর দিনাজপুরের সুরাবাজার। ভোটগ্রহণের ৯৬ ঘণ্টা আগে মদের দোকান ও বার বন্ধ করার নির্দেশ কার্যকর হতেই রায়গঞ্জ-সহ বিভিন্ন এলাকায় সুরাপ্রেমীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তবে এই ‘শুষ্ক’ পরিস্থিতির পূর্ণ সুযোগ নিতে ময়দানে নেমে পড়েছে কালোবাজারিরা। অভিযোগ, দোকানের ঝাঁপ পড়তেই মদের বোতলের দাম রাতারাতি দ্বিগুণ-তিনগুণ করে দিয়েছেন বেআইনি কারবারিরা।
শহরের বিভিন্ন মোড়ে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে সুরাপ্রেমীদের হাহাকার। স্থানীয় বাসিন্দা সুমন রায় জানালেন, কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে দেখেন সমস্ত দোকান ও বার বন্ধ। অথচ অন্ধকার গলিতে ৫০০ টাকার মদের বোতলের জন্য দাবি করা হচ্ছে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা। একই সুরে আক্ষেপ শোনা গেল কুশান সরকারের গলায়। তাঁর মতে, আগে থেকে এই কড়াকড়ির কথা জানলে অন্তত কিছু মজুত করে রাখা যেত। ঝটিকা এই নির্দেশে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠলেও কার্যত পোয়াবারো হয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীদের।
প্রশাসনিক নজরদারির ফাঁক গলেই কি এই কালোবাজারি চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ ভোটাররা। যদিও পুলিশ ও আবগারি দফতরের দাবি, বেআইনি মদ বিক্রি রুখতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে ভোটের মুখে এই ‘সুরা-সঙ্কট’ রায়গঞ্জের অলিগলিতে এখন প্রধান চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।