নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতায় গ্রাহকের টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠল খোদ এক নামী স্বর্ণ বিপণির (Gold Showroom) সেলস ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসতেই ওই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের তরফে বরাহনগর থানায় ওই কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, গয়না বুকিংয়ের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিলেও তা সংস্থার কোনও অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি, উল্টে গ্রাহককে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে ভুয়ো রসিদ।
কীভাবে চলল এই জালিয়াতি?
-
আকর্ষনীয় টোপ: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বরাহনগরের টবিন রোডের বাসিন্দা মৌমিতা দত্ত সোনা কিনবেন বলে ওই বিপণিতে গিয়েছিলেন।
-
অ্যাকাউন্ট বদল: সেখানে কর্মরত সেলস ম্যানেজারের পরামর্শে মৌমিতা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কয়েক দফায় মোট ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬২৭ টাকা জমা করেন।
-
ভুয়ো নথিপত্র: টাকা জমা পড়ার পর মৌমিতাকে সংস্থার নাম লেখা একটি ইনভয়েস ও রসিদ দেওয়া হয়েছিল, যা আদতে ভুয়ো ছিল বলে অভিযোগ।
তদন্ত ও বর্তমান পরিস্থিতি: টাকা দিয়েও দীর্ঘক্ষণ গয়না না মেলায় সন্দেহ হয় মৌমিতার। তিনি সরাসরি স্বর্ণ বিপণি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্তে ধরা পড়ে যে, মৌমিতার দেওয়া টাকা কখনওই স্বর্ণ প্রতিষ্ঠানের তহবিলে ঢোকেনি এবং তাঁকে দেওয়া নথিপত্রগুলো জালিয়াতি করে তৈরি করা হয়েছে। জালিয়াতির গভীরতা বুঝে সংস্থা কর্তৃপক্ষ কালক্ষেপ না করে বরাহনগর থানায় ওই সেলস সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক, পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।