নিউজ ডেস্ক: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার পর এবার ভোট পরবর্তী শান্তি বজায় রাখতে কোমর বেঁধে নামল বিধাননগর কমিশনারেট। বুধবার ভোট মেটার পর বৃহস্পতিবার থেকেই সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাট ও বাগুইআটির বিভিন্ন থানা এলাকায় শুরু হয়েছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ রুটমার্চ। বিধাননগর কমিশনারেটের দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মতো ভোট পরবর্তী সময়েও যাতে এলাকার শান্তি বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আগাম পদক্ষেপ।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ছয় দফা গাইডলাইন মেনে ভোটের আগে থেকেই তৎপর ছিল কমিশনারেট। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেসব এলাকায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছিল, এবার সেইসব স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে বাড়তি নজরদারি চালানো হয়। ভোটের আগে পুলিশ ও বাহিনীর জওয়ানরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগানোর চেষ্টা করেন। গত ২৯ এপ্রিল বিধাননগর, রাজারহাট-গোপালপুর এবং রাজারহাট-নিউটাউন— এই তিনটি কেন্দ্রেই নির্বিঘ্নে ভোট মিটেছে।
কমিশনারেট সূত্রে খবর, তিন কেন্দ্রে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন ৬ লক্ষ ৯০ হাজার ৪১২ জন ভোটার। কোথাও কোনও বড়সড় গণ্ডগোল, ছাপ্পা বা বুথ দখলের অভিযোগ আসেনি। ভোটের দিন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে মোট ৮৫ জনকে প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার (প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট) করা হয়েছিল।
ভোট মিটলেও হার-জিতের সমীকরণ নিয়ে যাতে কোনও রাজনৈতিক হিংসা বা ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য রুটমার্চের পাশাপাশি নাকা চেকিং ও টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, “আমাদের মূল লক্ষ্য শান্তিতে ভোট করানো এবং ভোটের পরেও সেই পরিবেশ ধরে রাখা। সেই কারণেই প্রতিটি ব্লকে ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বাহিনীর নজরদারি জারি রয়েছে।”