নিউজ ডেস্ক: মালদহের মোথাবাড়িতে এসআইআর (SIR) বা বিশেষ তদন্তের কাজে নিযুক্ত আধিকারিকদের ঘেরাও এবং তাঁদের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্তের জাল আরও গুটিয়ে আনল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ধৃত ৪৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে সাতজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় এই সংস্থা। বৃহস্পতিবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের এনআইএ বিশেষ এজলাসে তাঁদের তোলা হলে বিচারক এই নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহের ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ধৃত ৪৯ জনকেই এদিন আদালতে পেশ করা হয়। এনআইএ-র আইনজীবী শ্যামল ঘোষ বিচারকের কাছে সওয়াল করেন যে, অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ওই নৃশংস হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্ত বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া জরুরি। এনআইএ-র তরফে নির্দিষ্টভাবে সাতজনের হেফাজত চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করে। বাকি ৪২ জনকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
অন্যদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষে দাঁড়িয়ে পাল্টা সওয়াল করেন তাঁদের আইনজীবীরা। ধৃত মোফাক্কেরুলের আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেলকে কার্যত ‘বলির পাঁঠা’ করা হচ্ছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ঘটনার দিন মোফাক্কেরুল কোনও অশান্তি পাকাননি, বরং রণমূর্তি ধারণ করা উত্তেজিত জনতাকে সামলানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে এই সওয়াল ধোপে টেকেনি। আপাতত ওই সাতজনকে জেরা করে ঘটনার মূল চক্রীদের হদিস পেতে চাইছে এনআইএ। ভোটমুখী বঙ্গে আধিকারিকদের ওপর হামলার এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় সংস্থার সক্রিয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।