নিউজ ডেস্ক: দিল্লির যন্তর মন্তরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি নিয়ে লাদাখের বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনাম ওয়াংচুকের আমরণ অনশন শুক্রবার ২০ দিনে পদার্পণ করল। ‘ককরোচ পার্টি’-র উদ্যোগে আয়োজিত এই দীর্ঘমেয়াদি অনশন আন্দোলনে ইতিমধ্যেই শামিল হয়েছে দেশের বিভিন্ন বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। দিল্লির এই আন্দোলনের আঁচ এবার এসে পৌঁছাল তিলোত্তমাতেও। সোনাম ওয়াংচুকের আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় প্রতীকী অনশন ও আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশকর্মী সংগঠন ও বামপন্থী কর্মীরা। একই সঙ্গে সোনামের লড়াইকে সংহতি জানিয়ে নেটমাধ্যমে জোরকদমে শুরু হয়েছে অনলাইন প্রচার।
কলকাতার একটি প্রথম সারির পরিবেশকর্মী সংগঠনের তরফে আগামী রবিবার গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারের নীচে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটি মেগা প্রতীকী অনশনের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে সমস্ত স্তরের পরিবেশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষকে যোগ দেওয়ার জন্য উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক আবেদন জানানো হয়েছে।
দিল্লির এই আন্দোলনের সমর্থনে শুক্রবার কলকাতার রাজপথে নেমেছেন ছাত্র-যুবরাও। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন পড়ুয়া শুক্রবার দিনভর প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন। অন্য দিকে, এদিনই দক্ষিণ কলকাতার ব্যস্ততম যদুবাবু বাজার এলাকায় প্রতীকী অনশনের ডাক দিয়েছিল বামেদের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI)।
তবে যুব সংগঠনের বাম কর্মীদের অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের যদুবাবু বাজারের মোড়ে অনশন মঞ্চ বাঁধতে বা বসতে দেয়নি। এর পর পুলিশের সঙ্গে কোনও বড় সংঘাতের পথে না গিয়ে কর্মীরা বিকল্প কৌশল নেন। তাঁরা কালীঘাট ও ভবানীপুর অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে রাস্তায় ঘুরে ঘুরে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও পথসভা বা জমায়েত করেন। সোনাম ওয়াংচুকের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লির পাশাপাশি কলকাতাতেও ছাত্র-যুব ও পরিবেশকর্মীদের এই তৎপরতা আগামী দিনে আরও বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।