নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোট মিটতেই এবার নজরে দ্বিতীয় দফা। ২৯ এপ্রিল রাজ্যের হেভিওয়েট কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে কোমর বেঁধে নামছে কমিশন। সেই লক্ষ্যেই এবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা থেকে ১,৩১২ জন পুলিশ অফিসার ও কর্মীকে হাওড়া গ্রামীণ ও কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে। আজ, রবিবারের মধ্যেই এই বিশাল বাহিনীকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুর থেকে হাওড়া ও কলকাতায় ফোর্স: জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, হাওড়া গ্রামীণের ২,৪৩১টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাতে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে বড়সড় বাহিনী যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৮ জন ইন্সপেক্টর, ২৪৪ জন এসআই ও এএসআই এবং এক হাজার পুলিশ কর্মী (কনস্টেবল, হোমগার্ড ও এনভিএফ)। পাশাপাশি তিলোত্তমার বুথ সামলাতে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে আরও ১০ জন অফিসার ও ৫০ জন পুলিশ কর্মীকে কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে। মূলত কলকাতা পুর এলাকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতেই তাঁদের মোতায়েন করা হবে।
পর্যাপ্ত আধা সেনা ও সেক্টর ম্যানেজমেন্ট: পূর্ব মেদিনীপুরে প্রথম দফায় মোতায়েন থাকা আধা সেনার দল ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী জেলাগুলোর উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাওড়া গ্রামীণে এবার ১৪৭ কোম্পানি আধা সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। বুথের ভেতরে আধা সেনা থাকলেও, বাইরে লাঠিধারী পুলিশ ভোটারের লাইন সামলাবে। এছাড়াও সেক্টর অফিস, আরটি মোবাইল এবং কুইক রেসপন্স টিম (QRT)-এর জন্য পর্যাপ্ত রাজ্য পুলিশ রাখা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরেই বিপুল সংখ্যক অফিসার মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে চাইছে কমিশন।
নির্বিঘ্ন নির্বাচনের লক্ষ্য: পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং জঙ্গলমহলে প্রথম দফার ভোট মোটের ওপর শান্তিতেই মিটেছে। সেই ধারা বজায় রাখতেই বিভিন্ন জেলা থেকে পুলিশ ও আধা সেনা এনে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং দুই ২৪ পরগনার নিরাপত্তা বলয় সাজানো হচ্ছে। খড়্গপুর জিআরপি থেকেও পুলিশ অফিসারদের এই দফায় ডিউটিতে যুক্ত করা হয়েছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কয়েকদিনের মধ্যেই আধা সেনার টিম ফের পূর্ব মেদিনীপুরে ফিরবে, তবে তার আগে দ্বিতীয় দফার দায়িত্ব পালনই তাঁদের মূল লক্ষ্য।