নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত বিধাননগর ও নিউটাউন এলাকায় কড়া পদক্ষেপ নিল পুলিশ। মঙ্গলবার নিউটাউনের বালিগড়িতে বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে (৪৫) পিটিয়ে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার ভোররাতে টেকনোসিটি থানার পুলিশ তাঁদের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাকড়াও করে।
অন্যদিকে, সল্টলেকের দত্তাবাদে তৃণমূল কাউন্সিলর আলো দত্তের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাতেও পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার রাতে ওই হামলার জেরে কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামী ঘরছাড়া হয়ে পড়েছিলেন। এই দুই ঘটনাতেই পুলিশের তৎপরতা এখন তুঙ্গে।
নিউটাউন খুনের ঘটনার প্রেক্ষাপট: মঙ্গলবার বিকেলে বালিগড়ি এলাকায় বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মধুকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় নিউটাউন। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত নেতার বাড়িতে চড়াও হলে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। রাতেই টেকনোসিটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়, যার ভিত্তিতেই এই গ্রেপ্তার।
সল্টলেকের পরিস্থিতি: বিধাননগর পুরসভার ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলো দত্তের বাড়িতে লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগে তদন্তে নামে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে গোটা বিধাননগর ও নিউটাউন এলাকায় পুলিশের টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ ও র্যাফ (RAF) মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে থমথমে থাকলেও নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।