নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটতেই ইভিএম পাহাড়ায় নয়া প্রযুক্তির প্রয়োগ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা এদিন সকাল থেকেই ছিল কন্টেনার বোঝাই ট্রাকের দখলে। বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে জয়নগর, কুলতলি, ভাঙড়-সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম ও ভিভিপ্যাট এসে পৌঁছল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় (APC Roy) পলিটেকনিক কলেজে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ভিডিওগ্রাফি করে একে একে খোলা হয় বড় বড় কন্টেনারের দরজা।
যাদবপুরের এই কলেজে বারুইপুর মহকুমার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র— জয়নগর, কুলতলি, ভাঙড়, বারুইপুর পূর্ব ও পশ্চিম এবং সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণ কেন্দ্রের ইভিএম রাখা হয়েছে। ৪ মে এই কলেজেই হবে ভোটগণনা। প্রশাসনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্ট্রং রুমের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ বাইরে বড় টিভির পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। ছাউনির নিচে বসে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা সেই লাইভ ফুটেজের ওপর কড়া নজর রাখছেন।
এদিন সকালেই স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে সেখানে হাজির হয়েছিলেন রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার এবং ভাঙড়ের আইএসএফ (ISF) প্রার্থী নৌশাদ সিদ্দিকি। পাপিয়া হালদার জানান, “এই পদ্ধতি একেবারেই নতুন। আমরা ভিতরে ঢুকতে পারছি না ঠিকই, তবে টিভির পর্দায় নজর রাখছি। কোনো সিসিটিভি বন্ধ হলেই তৎক্ষণাৎ জানানো হচ্ছে।”
অন্যদিকে, বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রাখা হয়েছে ডেভিড হেয়ার ইনস্টিটিউটে। সেখানেও লোহার গেটে রাজ্য পুলিশের কড়া পাহারা। পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকেই ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সব মিলিয়ে গণনার আগে পর্যন্ত জনাদেশ আগলে রাখতে কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।