নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার অন্দরে জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয়তা ও পারফর্ম্যান্স বাড়াতে এক নজিরবিহীন উদ্যোগের সূচনা হলো। এখন থেকে প্রতি বছর কাজের নিরিখে সেরা বিধায়কদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হবে। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু প্রথমবারের জন্য এই বিশেষ পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা করেন। বিধানসভার ইতিহাসেই এই ধরনের মূল্যায়ন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অভিনব।
অধ্যক্ষ জানান, বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি, আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ, জনস্বার্থ সম্পর্কিত বক্তব্য পেশ এবং সার্বিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করেই নির্বাচিত করা হবে বর্ষসেরা বিধায়ক। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪ জন বিধায়কের দায়িত্বশীলতা নিরপেক্ষভাবে বিচার করতে একটি স্বাধীন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাদের নিরপেক্ষ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই বেছে নেওয়া হবে পুরস্কৃতদের।
উল্লেখ্য, সাড়ে সাত দশকের দীর্ঘ ব্যবধান পেরিয়ে গেরুয়া শিবির ক্ষমতায় আসার পর এই বিধানসভায় নতুন মুখের ভিড় নজরকাড়া। বর্তমানে পদ্ম শিবিরের ১৮১ জন সদস্য রয়েছেন, যাঁরা প্রথমবারের জন্য নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় পা রেখেছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৭ জন মহিলা জনপ্রতিনিধিও রয়েছেন। নবনির্বাচিত এই বিপুল সংখ্যক বিধায়কের সামনে নিজেদের দক্ষতা ও কাজ প্রমাণের বড় সুযোগ করে দিল বিধানসভা কর্তৃপক্ষের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।