নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুমের মাঝেই তিলোত্তমায় নতুন করে থাবা বসাল করোনা ভাইরাস। শনিবার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে বছর দশেকের এক নাবালককে। বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা ওই বালকের লালারসের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে একটানা কাশির সমস্যায় ভুগছিল সে। সঙ্গে ছিল কিছু আনুষাঙ্গিক উপসর্গও। চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় তার একটি ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা প্যানেল’ টেস্ট করানো হয়, আর তাতেই ধরা পড়ে করোনা সংক্রমণ।
বর্তমানে ওই নাবালকের শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে। গত রাতে নতুন করে তার জ্বরও আসেনি। তবে এখনই তাকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এক পদস্থ কর্তা। চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে, পরিস্থিতি আরও কিছুটা খতিয়ে দেখেই ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমান স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, করোনা আক্রান্ত হলে সাত দিনের আইসোলেশনে থাকা বাধ্যতামূলক। তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে এই নিভৃতবাস হাসপাতালেই হতে পারে অথবা বাড়িতেও রাখা যেতে পারে।
এই বিষয়ে বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জয়দেব রায় জানান, “মাঝেমধ্যে এক-দু’জন শিশুর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসছে ঠিকই, তবে এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি তেমন আশঙ্কাজনক নয় এবং কাউকে সাধারণ পরিস্থিতিতে ভরতি করার প্রয়োজন পড়েনি।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যেসব শিশুর হাঁপানি (Asthma), সিওপিডি (COPD) কিংবা অন্য কোনো ধরনের কোমর্বিডিটি বা ক্রনিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে। তবে এই নিয়ে সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন চিকিৎসকেরা